সপ্তাহে কমপক্ষে ৩-৫ দিন ১ ঘন্টা হাটুন/দৌড়ান, প্রতিদিন কমপক্ষে ৩-৪ লিটার পানি পান করুন।

Esrat Jahan

Last Updated on June 29, 2017 by Motu Group Team

#মিশনওয়েটলস
#লংপোস্ট
২০১৪ এর ডিসেম্বর থেকে ওয়েট লস মিশন শুরু করেছিলাম। তখন আমার ওজন ছিল ৭৪ কেজি(বাম দিকের ছবি)। আমার উচ্চতা ৫’১”, এই উচ্চতায় সরবোচ্চ ৬০ কেজি পরজন্ত হলে ওজন স্বাভাবিক(BMIঅনুযায়ী, তবে একদম বর্ডার লাইন)। যখন ওজন কমানো শুরু করি নিজেই নিজের ডায়েট চারট বানিয়ে নাই। খুব কঠিন নিয়ম মানতে পারি না আর এক্সারসাইজ করতেও ইচ্ছা করতো না। যেটা করেছিলাম তা হচ্ছে কারবস কম খেতাম, প্রচুর প্রোটিন খেতাম। প্রথম তিন মাস মাসে একবার ভাত খেতাম, রুটি তেল ছাড়া পরোটা খেতাম প্রতিদিন দুইটা। সপ্তাহে একদিন নান রুটি খেতাম। প্রচুর চিকেন, ডিম খেতাম। স্ন্যাক্স হিসেবে বাদাম, ফল খেতাম। সপ্তাহে একদিন পিজ্জা (২ স্লাইস)খেয়ে নিজেকে ট্রিট দিতাম। এছাড়া বাহিরে খেতে ইচ্ছা হলে গ্রিল চিকেন, স্যান্ডুইচ, নাগেটস এগুলা খেতাম(তবে সপ্তাহে ২ বার এর বেশি না)। এছাড়া কোক, চিনি দেয়া কফি বন্ধ করে দিয়েছিলাম। তিন মাসে ৯ কেজি ওজন কমে ৬৫ কেজি হয়েছিল। তারপরের তিন মাসে আরো ৭ কেজি কমে ৫৮ কেজি(ডান দিকের ছবি) । গত একবছর যাবত ওজন আর বাড়ে নি। এখন অবশ্য আমি খুব এক্টা কিছু করি না। শুধু ভাত কম খাই(সপ্তাহে ২ বার) কোক খাই না, চিনি জাতীয় খাবার কম খাই আর ভাজাভুজি কম খাই। তবে রোজায় ২ কেজি বেড়ে ৬০ কেজি হয়ে গিয়েছিল, এখন ২ কেজি কমে আবার ৫৮ কেজি হয়েছি(বর্ডার লাইন ওয়েট)। আমার টার্গেট ৫৫/৫৬ কেজি। কিন্তু এখন আর কমছে না আর কস্ট করতে ইচ্ছাও করে না। ভাইয়া /আপুরা মোটিভেশন দেন আর নিজেরাও মোটিভেশন নেন।

আমাদের উদ্দেশ্য টিম ওয়ার্কের মাধ্যমে সঠিক তথ্য দিয়ে সবাইকে স্বাস্থ্য সচেতন করে তোলার চেষ্টা করা এবং বাড়তি ওজন কমিয়ে ফেলতে অনুপ্রাণিত করা। আমরা বিশ্বাস করি একজন মানুষকে স্বাস্থ্য সচেতন করে তোলা মানে এর পাশাপাশি তার পরিবারকেও স্বাস্থ্য সচেতন করে তোলা। এভাবে আমরা একদিন দেশের সব পরিবারে সুস্বাস্থ্যের বার্তা পৌঁছে দিতে পারব।

Leave a comment

Leave a Comment

0 Shares
Tweet
Share
Share
Pin