সপ্তাহে কমপক্ষে ৩-৫ দিন ১ ঘন্টা হাটুন/দৌড়ান, প্রতিদিন কমপক্ষে ৩-৪ লিটার পানি পান করুন।

ওজন কমাতে বাধাদানকারী হরমোন এবং এর থেকে প্রতিকারের উপায়

Last Updated on June 20, 2017 by Motu Group Team

কেমন আছেন সবাই?? আশা করি ভালো।
আমরা সবাই কম বেশি চেস্টা করি ডায়েট + এক্সারসাইজ করে ওজন কমাতে। কিন্তু অনেকটা সময় পরে আমাদের ওজন যেনো আর কমতে চাইনা। আমরা চেস্টা করতেই থাকি, করতেই থাকি। তারপরেও ওজন ব্যাটা কমতেই চাইনা। আবার অনেকেই ওজন কমতে না দেখাতে এক ডায়েট ছেড়ে অন্য ডায়েট বা এক্সারসাইজ করা শুরু করি। তাতেও কি ওজন কমে?? মাঝে মাঝে তো এর ব্যাতিক্রম ঘটে!!
আজকে আমি এমন কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো যা আপনার ওজন কমতে বাধা দেয়! এই বাধা বাইরের কেউ নয় বরং আপনার শরীরের মধ্যেই আছে। কে বা কারা বাধা দেয় চলুন জেনে আসি।

আমাদের শরীরে ৩ ধরনের হরমোন আছে যা আপনার ওজন কমাতে বাধা দিয়ে থাকে। সেগুলি হলো,

১) কর্টিসল হরমোন
২) ইন্সুলিন হরমোন
৩) এস্ট্রোজেন হরমোন
এই ৩ হরমোন কে আবার ফ্যাট মেকিং হরমোনও বলা হয়ে থাকে। বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক।

১) কর্টিসল হরমোনঃ
————————-

এই হরমোনের আরেক নাম স্ট্রেস হরমোন। বয়সের সাথে সাথে আমাদের স্ট্রেস বাড়তেই থাকে। পারিপার্শিক কারনেই স্ট্রেস কম বেশি মানূষের হয়। এই স্ট্রেস হরমোন লেভেল যখন বেড়ে যাই তখন আমাদের শরীরে ফ্যাট বার্ন(ফ্যাট বার্নিং হরমোন) করতে পারেনা উলটো ফ্যাট আমাদের শরীরে জমা হয়ে থাকে। যাদের স্ট্রেস এর পরিমান বেশি তাদের এবস(পেটের) ফ্যাটের পরিমান বেশি হয়।

২) ইন্সুলিন হরমোনঃ
————————

আমাদের শরিরে যখন ইন্সুলিন হরমোন বেড়ে যাই তখন আমাদের শরিরে ফ্যাট জমা হতে থাকে। সেক্ষেত্রে ফ্যাট বার্নিং হরমোঙ্গুলি আর ফ্যট বার্ন করতে পারেনা এই ইন্সুলিন হরমোনের কারনে।

৩) এস্ট্রোজেন হরমোনঃ
————————–

এই হরমোন লেভেল বেড়ে গেলে বিশেষ করে পিরিয়ডের সমস্যা, ফাইব্রয়েড(নন ক্যান্সার টিউমার), এবং ওজন বেড়ে যাই। বিশেষ করে লোয়ার পার্ট (নিচের অংশে) ফ্যট হিসেবে জমা হয়।

#ওজন কমাতে বাধা দেয় এই ৩ টা হরমোন সম্পর্কে তো জানলাম। এখন জেনে নেয়, এইসব কিভাবে প্রতিকার বা প্রতিরোধ করতে পারি।

=> ঘুম,ঘুম,ঘুম। সোজা কথাই রাতে ৬-৯ ঘণ্টা টানা ঘুমাতে হবে। রাতের গভীর ঘুম এই স্ট্রেস হরমোনের পরিমান কমিয়ে দেয়।
=> কার্বস জাতীয় খাবার কমিয়ে দিতে হবে। বিশেষ করে সুগার জাতীয় খাবার একেবারেই বাদ। লো কার্বস ফুড ইন্সুলিন লেভেল কমিয়ে দেয়।
=> কোন প্রেসেসড ফুড খাওয়া যাবেনা।
=> নিয়মিত ৩০-৪৫ মিনিট হাটাহাটি বা ব্যায়াম করতে হবে।
=> প্রচুর পানি খেতে হবে। প্রতিদিন ২-৩ লিটার পানি।
=> হেলদি ডায়েট করতে হবে।

যখন আমাদের এই ৩ টা হরমোন লেভেল পরিমান কমে যাই তখন আমাদের ফ্যাট বার্নিং হরমোনগুলো সক্রিয় হয়ে উঠে। এবং আমাদের মেটাবলজিম বেড়ে যাই। সেক্ষেত্রে ডায়েট + এক্সারসাইজ আমাদের ওজন কমাতে আরো অনেক বেশি কার্জকর হয়।

#বি ফিট #বি স্ট্রং #বি স্মার্ট
#ফ্যাট মেকিং হরমোন
#মোটিভেশান

আমাদের উদ্দেশ্য টিম ওয়ার্কের মাধ্যমে সঠিক তথ্য দিয়ে সবাইকে স্বাস্থ্য সচেতন করে তোলার চেষ্টা করা এবং বাড়তি ওজন কমিয়ে ফেলতে অনুপ্রাণিত করা। আমরা বিশ্বাস করি একজন মানুষকে স্বাস্থ্য সচেতন করে তোলা মানে এর পাশাপাশি তার পরিবারকেও স্বাস্থ্য সচেতন করে তোলা। এভাবে আমরা একদিন দেশের সব পরিবারে সুস্বাস্থ্যের বার্তা পৌঁছে দিতে পারব।

Leave a comment

0 Shares
Tweet
Share
Share
Pin