সপ্তাহে কমপক্ষে ৩-৫ দিন ১ ঘন্টা হাটুন/দৌড়ান, প্রতিদিন কমপক্ষে ৩-৪ লিটার পানি পান করুন।

যারা বলে টাইম এর জন্য ওয়ার্ক আউট করতে পারিনা তাদের জন্য ১ বালতি সমবেদনা

Last Updated on April 29, 2021 by Motu Group Team

প্রথম কথা যারা বলে টাইম এর জন্য ওয়ার্ক আউট করতে পারিনা তাদের জন্য ১ বালতি সমবেদনা……. যারা এই পর্যায়ে আছেন তাদের জন্য এই পোষ্ট…..

আমার প্রথম পরিচয় আমি একজন মা,যার ৪ বছর এবং যথাক্রমে পোনে তিনবছরের দুজন রাজপুত্র রয়েছে। এবং আমার দ্বিতীয় পরিচয় আমি একজন ব্যাংকার, অনেকেই হয়তো জানেন এটা প্রচন্ড বিজি সেক্টর যাওয়ার সময় আছে আসার সময় নাই…..

আমার বাসার রান্না,বাচ্চাকে পড়ানো,এবং তাদের মোটামুটি সকল খাদ্য আমি নিজ হাতে তৈরি করি,
এবং তাদের আনুসাঙিক সকল কিছু আমি রেডি করে রেখে যাই……… এবং পিরিয়ড কালিন সময় ব্যতিত আমি ওয়ার্কআউট মিস দেইনা,আমি অফিস থেকে ৫ কিলো হেটে ফিরতাম যদিও বৃষ্টি আর রোজার জন্য বন্ধ আছে,সেটা আমি বাসায় সাইকেল এর মাধ্যমে কভার করি। সাইকেল আমার জন্য একটা আশিরবাদ…. এবার বলবো আমার রুটিন……

আমি ঘড়ির কাটার সাথে চলি,অফিস থেকে ফেরার পথে সবজি নিয়ে ফিরি,এরপর বাসায় ঢুকে বাচ্চাদের ছোট কিছু চাহিদা মিটিয়ে রান্না ঘরে রাতের খাবার+ কালকের কিছুটা+ বাবুদের কোন নাস্তা বানিয়ে ফেলি,এরপর রাতের খাবার খেয়ে নিয়ে,বাবুকে স্কুলের পড়া করাই,এবং সাথে কাজ চলে, পড়ানো শেষ হলে তাদের খাওয়ায়ে দেই এরপর আমি ওয়ার্কআউট এ যাই বাবুরা টিভি দেখে,ওয়ার্ক আউট শেষ করে বাবুদের রাতের ধোয়া মোছা করে ১০- ১০.৩০ এর মাঝে বিছানায় নেই,তাদের ঘুম পারায়ে আমি ঘুমাতে ১১- ১১.৩০,এরপর ৬.৩০ এর ভিতর উঠি,১ মিনিট লেটের উপায় নাই,নামাজ পরে,বাবুর টিফিন,সকালের খাবার,আমার লান্চ, আমার সকালের খাবার রেডি করে বাবুকে ঘুম থেকে তুলে হালকা খাওয়ায়ে রেডি করে স্কুলে পাঠিয়ে আমি ওয়ার্ক আউট করি ৩৫- ৪০ মিনিট এরপর ঝড়ের গতিতে নাস্তা গোসল ছোটবাবুর কাজ করি রেডি হয়ে অফিসে চলে যাই……. আমার কি পরিমান বিজি রুটিন হয়তো লিখে বুঝাতে পারিনি,আমি ১ মিনিট স্লিপ করলে সব এলোমেলো,কিন্তু আমার এত বিজি লাইফে মন খারাপ হয়না……

যারা বলছেন ওয়ার্ক আউটের সময় পাননা তারা কি এর চেয়েও বিজি….

আমি অফিস থেকে ফিরে শুইনা কারন শুলে আর দাড়াতে পারবোনা,একদম ওয়ার্কআউট করেই শুই….

এতে সবচেয়ে বেশি লাভবান আমি আমরা,আমি এখন অনেক সুস্থ এবং এনার্জিটিক……

অলসতা মানুষের সবচেয়ে বড় শত্রু……

বিদ্র: আমার একজন পতিদেব রয়েছেন, তিনি নাকি সকালে ঘুম থেকে উঠে আমাকে সাইকেলে দেখে রাতে বাসায় ফিরেও সাইকেলে দেখেন😃😃😃😃😃😃

আসল কথা আমার এই সময়ে তিনি চোখ মেলেন এবং বাসায় ফিরেন।

গতরাতের ওয়ার্ক আউট পিক আর আমার বাজানদ্বয়।

দির্ঘ পোষ্টের জন্য লজ্জিত নই😂😂😂😂😂😂😛😛😛😛

আমাদের উদ্দেশ্য টিম ওয়ার্কের মাধ্যমে সঠিক তথ্য দিয়ে সবাইকে স্বাস্থ্য সচেতন করে তোলার চেষ্টা করা এবং বাড়তি ওজন কমিয়ে ফেলতে অনুপ্রাণিত করা। আমরা বিশ্বাস করি একজন মানুষকে স্বাস্থ্য সচেতন করে তোলা মানে এর পাশাপাশি তার পরিবারকেও স্বাস্থ্য সচেতন করে তোলা। এভাবে আমরা একদিন দেশের সব পরিবারে সুস্বাস্থ্যের বার্তা পৌঁছে দিতে পারব।

Leave a comment

Leave a Comment

0 Shares
Tweet
Share
Share
Pin